অন্ধকার জগৎ

ম্যাচ সেরা স্টোকস

শেয়ার

রোমাঞ্চকর ফাইনাল শেষে বিশ্বকাপ জিতে নিলো ইংলিশরা। নির্ধারিত ৫০ ওভার শেষে সমান ২৪১ রান করলে ম্যাচটি সুপার ওভারে গড়ায়। সুপার ওভারেও দুই দল সমান ১৫ রান করে। তবে বেশি বাউন্ডারি হাঁকিয়ে বিশ্বকাপের ট্রফি নিজেদের করে নেয় মরগানরা। দারুণ নৈপুণ্য দেখিয়ে বিশ্বকাপ ফাইনালে ম্যাচ সেরা হয়েছেন ইংলিশ ব্যাটসম্যান বেন স্টোকস। ফাইনালে অপরাজিত ৮৪ রানের দারুণ একটি ইনিংস খেলেন তিনি।

ইংল্যান্ডের লক্ষ্য ছিল ২৪২ রান, কিন্তু এমন পিচে রান করা মোটেই সহজ ছিল না। একটা সময় তাই কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল স্বাগতিকরা। সেখান থেকে বলতে গেলে একাই দলকে টেনে তুলেন বেন স্টোকস। হার না মানা ৮৪ রান করে দলকে নিয়ে যান একদম ‘টাই’ পর্যন্ত।

টাইয়েও ইংলিশদের ত্রাতার ভূমিকায় এই বেন স্টোকস। ট্রেন্ট বোল্টের করা প্রথম দুই ডেলিভারিতে সুযোগ না থাকায় রানই নেননি, স্ট্রাইকে থাকতে চেয়েছেন নিজেই। তৃতীয় বলে হাঁকান ছক্কা। ভাগ্য যেন তার শরীরটাকেও স্পর্শ দিয়ে গিয়েছিল। চতুর্থ বলে দুই নিতে গেলে স্টোকসের গায়ে লেগেই ওভার থ্রোতে ৬ হয়ে যায়।

পঞ্চম বলে সিঙ্গেলসের জায়গায় ডাবলস নিতে গিয়ে সঙ্গীকে হারান রানআউটে। শেষ বলেও একইভাবে ডাবলস নিতে গিয়ে রানআউটে হয়েছে এক, তবে কাজের কাজটা করে দিয়েছেন স্টোকসই।

বলতে গেলে সুপার ওভারেও একাই লড়েছেন স্টোকস। সেখানেও স্টোকস (৮) ও বাটলারের (৭) ব্যাটে ভর করে নিউজিল্যান্ডকে ১৬ রানের টার্গেট দেয় ইংল্যান্ড। সেখানেও ছড়ায় রোমাঞ্চ। শেষ বলে জয়ের জন্য ২ রান নিতে নিতে গিয়ে রান আউট হোন মার্টিন গাপটিল। টাই হয় সুপার ওভারও।

অবশেষে মূল ইনিংস ও সুপার ওভারের বাউন্ডারির হিসেবে এগিয়ে থেকে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জিতে ইংল্যান্ড। সেই সাথে শেষ হলো বিশ্বকাপের ৪৬ দিনব্যাপী আসর। পর্দা নামলো ইংল্যান্ডে বসা ক্রিকেট বিশ্বকাপের ১২তম আসরের।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *